১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিয়াউদ্দিনের দুর্নীতি তদন্তে দুদকের জোর তৎপরতা

Jaffrey Alam
  • আপডেট এর সময় : ০৯:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 108

দুর্নীতি আর লুটপাটের স্বর্গরাজ্য যেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দেশের রাজস্ব ভান্ডার পূর্ণ করার দায়িত্ব যাদের কাঁধে, তারাই উল্টো খালি করেছেন দেশের অর্থনীতির সিন্দুক। তবে দেশের সিন্দুক খালি হলেও, ফুলে ফেঁপে ধনকূবেরের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন এনবিআরের বহু কর্মকর্তা।
এমনই একজন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের খুলনার কমিশনার কাজী মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গত বছর তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদুক)। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ডিসেম্বরে তার ও পরিবারের নামে কেনা বা রেজিস্ট্রি হওয়ার সম্পদের তথ্য চেয়ে জেলা রেজিস্ট্রারকে চিঠি দেয় দুদুক।
অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা পূর্ব কাস্টমস এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার থাকাকালে কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সক্ষতা রেখে বিপুল পরিমান আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। এমনকি মরিয়ম এন্টারপ্রাইজের মালিক আওয়ামী লীগ নেতা মুহাম্মদ বেলায়েতের সঙ্গে তার ব্যবসায়ীক সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ঢাকায় কমিশনার থাকাকালে বিশেষ সুবিধা নিয়ে সবকিছু একপ্রকার নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা বেলায়েত। পরস্পর যোগসাজশে কাস্টমস এজেন্টদের নিজেদের হাতের মুঠোয় রেখেছেন জিয়াউদ্দিন ও বেলায়েত। এই সিন্ডিকেটের বাইরে গেলে জরিমানা, বাড়তি শুল্কসহ নানামূখি হয়রানির শিকার হতে হতো। যেখান থেকে কৌশলে বিশেষ সুবিধা নিয়ে বেলায়েতই তাদের উদ্ধার করতেন বলেও জানান কেউ কেউ।
যদিও এসব অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কমিশনার কাজী মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বলেন, এনবিআর সংষ্কার আন্দোলনের জেরে তার বিরুদ্ধে এই তদন্ত শুরু করেছে দুদুক। তিনি আরও দাবি করেন ঢাকায় দায়িত্বে থাকাকালে সর্বোচ্চ কর আদায় করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে সক্ষতার বিষয়টিও অস্বীকার করেন তিনি।
তার কথার সুত্র ধরেই অনুসন্ধানে মেলে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। সর্বোচ্চ কর আদায়ের শুধু সরকারের রাজস্ব ভান্ডারই তিনি ভরেননি, ভরেছেন নিজের সিন্দুকও।
(বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে)

×
13 September 2026 12:54


abc

DAINIK SHESSONGBAD

 

 

THIS NEWS PAPER WEBSITE
IS ONLY FOR 7 DAYS

This will close in 20 seconds

Jaffrey Alam

জিয়াউদ্দিনের দুর্নীতি তদন্তে দুদকের জোর তৎপরতা

আপডেট এর সময় : ০৯:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি আর লুটপাটের স্বর্গরাজ্য যেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। দেশের রাজস্ব ভান্ডার পূর্ণ করার দায়িত্ব যাদের কাঁধে, তারাই উল্টো খালি করেছেন দেশের অর্থনীতির সিন্দুক। তবে দেশের সিন্দুক খালি হলেও, ফুলে ফেঁপে ধনকূবেরের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন এনবিআরের বহু কর্মকর্তা।
এমনই একজন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন। কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের খুলনার কমিশনার কাজী মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে গত বছর তদন্ত শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদুক)। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ডিসেম্বরে তার ও পরিবারের নামে কেনা বা রেজিস্ট্রি হওয়ার সম্পদের তথ্য চেয়ে জেলা রেজিস্ট্রারকে চিঠি দেয় দুদুক।
অভিযোগ রয়েছে, ঢাকা পূর্ব কাস্টমস এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনার থাকাকালে কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সক্ষতা রেখে বিপুল পরিমান আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। এমনকি মরিয়ম এন্টারপ্রাইজের মালিক আওয়ামী লীগ নেতা মুহাম্মদ বেলায়েতের সঙ্গে তার ব্যবসায়ীক সম্পর্ক রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন ঢাকায় কমিশনার থাকাকালে বিশেষ সুবিধা নিয়ে সবকিছু একপ্রকার নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা বেলায়েত। পরস্পর যোগসাজশে কাস্টমস এজেন্টদের নিজেদের হাতের মুঠোয় রেখেছেন জিয়াউদ্দিন ও বেলায়েত। এই সিন্ডিকেটের বাইরে গেলে জরিমানা, বাড়তি শুল্কসহ নানামূখি হয়রানির শিকার হতে হতো। যেখান থেকে কৌশলে বিশেষ সুবিধা নিয়ে বেলায়েতই তাদের উদ্ধার করতেন বলেও জানান কেউ কেউ।
যদিও এসব অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কমিশনার কাজী মুহাম্মদ জিয়াউদ্দিন বলেন, এনবিআর সংষ্কার আন্দোলনের জেরে তার বিরুদ্ধে এই তদন্ত শুরু করেছে দুদুক। তিনি আরও দাবি করেন ঢাকায় দায়িত্বে থাকাকালে সর্বোচ্চ কর আদায় করেছেন। আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে সক্ষতার বিষয়টিও অস্বীকার করেন তিনি।
তার কথার সুত্র ধরেই অনুসন্ধানে মেলে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। সর্বোচ্চ কর আদায়ের শুধু সরকারের রাজস্ব ভান্ডারই তিনি ভরেননি, ভরেছেন নিজের সিন্দুকও।
(বিস্তারিত আসছে দ্বিতীয় পর্বে)

×
13 September 2026 12:54